বচনের বিরোধিতা


1.বচনের বিরোধিতা কয় প্রকার চার ?
-: চার প্রকার। যথা
১: বিপরীত বিরোধিতা
২: অধীন বিপরীত বিরোধিতা 
৩: অসম বিরোধিতা
৪: বিরুদ্ধ বিরোধিতা


বুঝতে না পারলে ভিডিওটি দেখো

👇👇👇


A-E -: বিপরীত বিরোধিতা
A-I :- অসম বিরোধিতা
A-O :- বিরুদ্ধ বিরোধিতা 

E-A :- বিপরীত বিরোধিতা
E-I :- বিরুদ্ধ বিরোধিতা
E-O :- অসম বিরোধিতা

I-A :- অসম বিরোধিতা
I-O :- অধীন বিপরীত বিরোধিতা 
I-E :- বিরুদ্ধ বিরোধিতা

O-I :- অধীন বিপরীত বিরোধিতা
O-E :- অসম বিরোধিতা
O-A :- বিরুদ্ধ বিরোধিতা


2. দুটি অসম বিরোধিতা বচনের মধ্যে কিসের পার্থক্য থাকে ?
:- পরিমাণ গত পার্থক্য থাকে ।

3. বচনের কোন বিরোধিতাকে  অতিবিষমতা বলে ?
 :- বিপরীত বিরোধিতাকে।

4. বচনের কোন বিরোধিতাকে অনুবিষমতা  বলে?
:- অধিন বিপরীত বিরোধিতাকে ।

5. বিরুদ্ধাতা  কাকে বলে?(বিরুদ্ধ বিরোধিতা)
:- যে বিরোধিতার গুণগত ও পরিমানগত উভয় দিক থেকে পার্থক্য থাকে তাকে বলে বিরুদ্ধাতা ।

6. বিপরীত বিরোধিতার অন্যতম বৈশিষ্ট কী?
:- দুটি বচন কখনোই এক সঙ্গে সত্য হতে পারে না কিন্তু মিথ্যা হতে পারে।

7. অধীর বিপরীত বিরোধিতার বৈশিষ্ট্য কি ?
:- দুটি বচন কখনোই একসঙ্গে মিথ্যা হতে পারেনা কিন্তু সত্য হতে পারে ।

8. বিরুদ্ধ বিরোধিতার একটি উদাহরণ দাও ?
(A) সকল মানুষ হয় মরণশীল
(O) কোনো কোনো মানুষ নয় মরণশীল।
(E)কোনো মানুষ নয় অন্ধ।
(I)কোনো কোনো মানুষ হয় অন্ধ।

9.বিরুদ্ধে বিরোধিতার শর্ত কী? 
:- দুটি বচন একসঙ্গে সত্য বা মিথ্যা হতে পারেনা।

10. প্রচলিত যুক্তি বিদ্যায় কোন বিরোধিতাকে প্রকৃত বিরোধিতা বলা হয়?
:-বিরুদ্ধ বিরোধিতাকে।

11. অ্যারিস্টোটলের মতে বিরোধিতা কয় প্রকার ও কি কি?
:- দুই প্রকার ।
১বিপরীত বিরোধিতা ।
২বিরুদ্ধ বিরোধিতা।  
12.অ্যারিস্টোটল কোন বিরোধিতা কে সবচেয়ে শক্তিশালী বলেছেন?
:- বিপরীত বিরোধিতা ।





(A) বচন সত্য হলে (E) বচন মিথ্যা হবে
(A) বচন সত্য হলে (I) বচন সত্য হবে